আমাদের কিরূপ দ্বীনের দাঈ হওয়া উচিত
Abstract
বর্তমান বিশ্বায়ন ও অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইসলামের সুমহান বার্তা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যভাবে উপস্থাপন করার জন্য দ্বীনের দায়ীদের ভূমিকা ও গুণাবলীতে গুণগত পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরী। একজন সফল ও আদর্শ দাঈ হতে হলে কেবল বাহ্যিক প্রকাশ নয়, বরং প্রথমত ইখলাস বা খাঁটি নিয়ত, তাকওয়া এবং কুরআন-সুন্নাহর গভীর জ্ঞানের অধিকারী হতে হবে। নিজের কথন ও আচরণের মধ্যে সঙ্গতি রাখা অর্থাৎ নিজে আমল করে অন্যের কাছে দাওয়াত উপস্থাপন করা দায়ীর মূল চালিকাশক্তি। দাওয়াতী ক্ষেত্রে উগ্রতা, কঠোরতা কিংবা সাম্প্রদায়িক সংঘাত এড়িয়ে প্রজ্ঞা (হিকমত), ধৈর্য, কোমলতা ও সদুপদেশের নীতি গ্রহণ করা অপরিহার্য। এছাড়া বর্তমান যুগের মানসিকতা, সমাজিক প্রেক্ষাপট ও আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সঙ্গতি রেখে দাওয়াতী কৌশল নির্ধারণ করা সময়ের দাবি। সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং চারিত্রিক শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলাই একজন আদর্শ দায়ীর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। এ গবেষণায় সমকালীন বিশ্বে একজন দাঈর দায়িত্ব, প্রয়োজনীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং দাওয়াতী কাজের সফলতার মূলনীতিসমূহ সুবিন্যস্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে।