আমাদেরকে যেরুপ দ্বীনের দায়ী হওয়া উচিত
Abstract
ইসলামের সুমহান বার্তা মানবজাতির কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং একটি সৎ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করার দায়িত্ব প্রতিটি মুসলিমের। তবে দ্বীনের দাওয়াত প্রদানের জন্য একজন দায়ীকে নির্দিষ্ট কিছু মৌলিক গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্যে ভূষিত হতে হয়। আলোচ্য নিবন্ধে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একজন আদর্শ ও সফল দায়ীর স্বরূপ এবং তার আবশ্যকীয় দায়িত্ব-কর্তব্যসমূহ পর্যালোচনা করা হয়েছে। একজন প্রকৃত দ্বীনের দায়ীকে প্রথমত ইখলাস বা নিখাঁস নিয়তের অধিকারী হতে হবে এবং দ্বীনের সঠিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ হতে হবে। কেবল কথা বা আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং নিজের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইসলামি আদর্শের পূর্ণ প্রতিফলনের মাধ্যমে 'আমলি দাওয়াত' (বাস্তব জীবনের অনুসরণ) সৃষ্টি করা সবচেয়ে জরুরি। এ ছাড়া দাওয়াতি কাজে প্রজ্ঞা (হিকমাহ), ধৈর্য, প্রফুল্ল স্বভাব, শ্রোতার মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা অনুধাবনের ক্ষমতা এবং আধুনিক বিশ্বের বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। সমকালীন যুগে ইসলাম সম্পর্কে তৈরি হওয়া নানা ভুল ধারণা দূর করে ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য ও মানবিক দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে একজন দায়ীর কেমন প্রস্তুতি ও কৌশল হওয়া উচিত, নিবন্ধটিতে তার একটি সমন্বিত ও বাস্তবমুখী রূপরেখা প্রদান করা হয়েছে।