বালা মুসিবতের ধৈর্যধারণের গুরুত্ব ও ফজিলত
Abstract
ইসলামে বালা-মুসিবতে ধৈর্যধারণের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যন্ত অপরিসীম। যেকোনো বিপদ-আপদ, রোগ-শোক বা কঠিন পরিস্থিতিতে অধৈর্য না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা ও ধৈর্য ধরা মুমিনের অনন্য বৈশিষ্ট্য। নিচে বিষয়টির গুরুত্ব ও ফজিলত সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো: Abstract (সারসংক্ষেপ) ইসলামি জীবনদর্শনে পরীক্ষা ও বালা-মুসিবত মানুষের জীবনের এক অবধারিত অংশ। এসব পরিস্থিতিতে ‘সবর’ বা ধৈর্যধারণ করা ঈমানের পূর্ণতার পরিচায়ক। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, তিনি ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন এবং তাদের গণনাহীন বা অসীম প্রতিদান দেবেন। বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারণ করলে বান্দার অতীতের গুনাহসমূহ ঝরে যায় এবং আল্লাহর দরবারে তার মর্যাদা ও সম্মান বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ করেছেন যে, মুমিনের অবস্থা খুবই বিস্ময়কর; কারণ সুখ-দুঃখ সব অবস্থাতেই তার জন্য কল্যাণ রয়েছে—যদি সে বিপদে ধৈর্য ধরে ও সুখে শুকরিয়া আদায় করে। সংক্ষেপে, জীবনের যেকোনো কঠিন পরীক্ষায় ধৈর্যধারণ করাই পার্থিব শান্তি অর্জন এবং পরকালে জান্নাত লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
References
- বালা মুসিবতে ধৈর্য, সবরের ফজিলত, বিপদে ঈমান, গুনাহ মাফ, অসীম সওয়াব, আল্লাহর সাহায্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ, পরকালীন সাফল্য, ইসলামি আখলাক, জান্নাতের পথ