কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত
Abstract
ইসলামে ইতিকাফ একটি অত্যন্ত মর্যাদাশীল ও রুহানি ইবাদত। জাগতিক সব ব্যস্ততা ও কোলাহল থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান করাই হলো ইতিকাফ। কুরআন ও হাদিসের নির্দেশে রমজান মাসের শেষ দশকে ইতিকাফ পালন করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা কেফায়া। এই ইবাদতের প্রধান উদ্দেশ্য হলো পরম মহিমান্বিত রাত ‘লাইলাতুল কদর’ অর্জন করা এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা। পবিত্র কুরআনে বাইতুল্লাহকে ইতিকাফকারীদের জন্য পবিত্র রাখার নির্দেশের মাধ্যমে এর ঐতিহাসিক ও আত্মিক গুরুত্ব স্পষ্ট হয়। নবী কারিম (সা.) মদিনায় হিজরতের পর থেকে ওফাত পর্যন্ত প্রতি বছর নিয়মিত রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন। হাদিস শরীফ অনুযায়ী, ইতিকাফকারী ব্যক্তি গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে এবং মসজিদে অবস্থানকালেও বাইরের যাবতীয় সৎকাজের সওয়াব লাভ করতে থাকে। আত্মশুদ্ধি অর্জন, তাওবা-ইস্তিগফার এবং আল্লাহর সঙ্গে বান্দার আত্মিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে ইতিকাফের ভূমিকা অপরিসীম।